More Categories



Culture perverted genius behind the healthy development of culture

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Storman থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Islamic Life

Islamic Life
Makka Sharif

Translate

হস্তমৈথুনের অপকারিতা কী?

হস্তমৈথুনের কারণে দুই ধরনের সমস্যা হয়---(১)মানসিক সমস্যা। (২)শারীরিক সমস্যা। পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যেসব সমস্যায় ভুগতে পারে তার ম...

বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২০

হস্তমৈথুনের অপকারিতা কী?

- কোন মন্তব্য নেই
হস্তমৈথুনের অপকারিতা এবং ইসলাম কি বলে?

হস্তমৈথুনের কারণে দুই ধরনের সমস্যা হয়---(১)মানসিক সমস্যা। (২)শারীরিক সমস্যা।
পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যেসব সমস্যায় ভুগতে পারে তার মধ্যে একটি হল নপুংসকতা । অর্থাৎ ব্যক্তি যৌন সংগম স্থাপন করতে অক্ষম হয়ে যায়।পুরুষ হস্তমৈথুন করতে থাকলে সে ধীরে ধীরে নপুংসক হয়ে যায়।
আরেকটি সমস্যা হল অকাল বীর্যপাত । অর্থাৎ খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে।ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়। বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না।
আরো একটি সমস্যা হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়। তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম। সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয়। একজন পুরুষ যখন স্ত্রী গমন করেন তখন তার থেকে যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত।
স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয় না।অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়।
আর শরীরের অন্যান্য যেসব ক্ষতি হয়--
  1. পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ-বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায়।
  2. চোখের ক্ষতি হয়।
  3. স্মরণ শক্তি কমে যায়।
  4. মাথা ব্যথা হয় ইত্যাদি আরো অনেক সমস্যা হয় হস্তমৈথুনের কারণে।
আরেকটি সমস্যা হল Leakage of semen। অর্থাৎ সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হয়। ফলে অনেক মুসলিম ভাই নামায পড়তে পারেন না। মহান আল্লাহ্‌ তা'আলার স্মরণ থেকে মুসলিমদের দূরে রাখে হস্তমৈথুন।
আর কোন নারী যখন স্বমেহন বা হস্তমৈথুন করে তখন তার Hymen (fold of mucous membrane partly closing the vagina in a virgin) break হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অর্থাৎ তার কুমারীত্ব(Virginity)হারানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অনেকে স্বমেহন করতে গিয়ে কুমারীত্ব হারিয়ে ফেলে।
ফলে তার বিয়ে করতে সমস্যা হয়। বিয়ের পর স্বামী তার এ অবস্থা দেখে তাকে সন্দেহ করে তালাক দেয়। তাই হস্তমৈথুন নারীদের অনেক বড় সমস্যার সৃষ্টি করে।

মেয়েরাই জাহান্নামে বেশি যাবে কেন?

- কোন মন্তব্য নেই
মেয়েরাই জাহান্নামে বেশি যাবে কেন?

সাধারনত মেয়েদের জান্নাতে যাওয়া তুলনামূলক সহজ কারন ওদের প্রেসার কম, সংসারের দায়িত্ব, রোজগার করা কিংবা সামাজিক সকল ঝামেলা গুলা পেহাতে হয়না যা ছেলেদের করতে হয়, ওরা শুধুমাত্র সংসার দেখলে এবং সৎ থাকলে ও ধর্মিয় কাজ গুলা করলেই জান্নাত তবু তারাই বেশি জাহান্নাম এ যাবে এর কারন উধঘাটনের চেষ্টা করছি:

হাদীসে এসেছে-
عن أسامة بن زيد رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: قمت على باب الجنة ، فكان عامة من دخلها المساكين ، وأصحاب الجد محبوسون ، غير أن أصحاب النار قد أمر بهم إلى النار ، وقمت على باب النار فإذا عامة من دخلها النساء.
উসামা ইবনে যায়েদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমি জান্নাতের গেটে দাড়ালাম, দেখলাম যারা তাতে প্রবেশ করেছে তারা অধিকাংশ ছিল দুনিয়াতে দরিদ্র অসহায়। আর ধনী ও প্রভাবশালীদের আটকে দেয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে যাদের জাহান্নামে যাওয়ার ফয়সালা হয়ে গেছে তাদের কথা আলাদা। আর আমি জাহান্নামের প্রবেশ পথে দাড়ালাম। দেখলাম, যারা প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশ নারী।
(বর্ণনায় বুখারী:৩০১৪ ও মুসলিম)

আল্লাহতালা মেয়েদের বলেন,
তোমরা সগৃহে অবস্থান কর, প্রাচীন জাহেলি যুগের নারীদের মত নিজেদের প্রদরশন করোনা" ( আহযাব ৩৩)৷
তোমরা তাদের নিকট কিছু চাইলে পরদার আড়াল থেকে চাও ৷ এটা তোমাদের এবং তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারন "
( আহযাব ৫৩) ৷
"হে নবী ! তুমি ঈমানদার নারীদের বলে দাও , তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে ও তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে ৷
তারা যেন যা সাধারনতঃ প্রকাশমান থাকে তা ব্যতীত চাদের সৌন্দয প্রকাশ না করে ৷ তাদের গ্রীবা (স্তন) ও গলদেশে চাদর(ওড়না) দ্বারা ঢেকে রাখে "
(নূর ৩১)

সুরা আহযাব এ আল্লাহ মেয়েদের বলেন,
তোমরা পরপুরুষ এর সাথে কোমল ও আকর্ষনিয় ভাঙ্গিতে কথা বলনা করন এতে দুশ্চরিত্র লোকজন তোমাকে নিয়ে কু বাসনা করবে!

কিন্তু মেয়ে রা কি তা মানে? সারাক্ষণ ই তো ফোন ফেসবুক মেসেন্জার এ কত মধুর আলাপ করেন, কত পুরুষ এট সাথে কত রং ঢং এ কথা বলেন? তখন সে ছেলেরা তাকে খারাপ মেয়ে মনে করে চান্স নিতে যায় তখনি বিশ্রী ঘটনা ঘটে!
আর আল্লাহতালার আদেশ অমান্যকারী কি জান্নাতে যাবে?

রাসুল সা:বলেছেন,
যারা গরুর লেজ সদৃশ বেত দ্বারা মানুষকে প্রহার করে এবং যে সব নারী এত পাতলা পোশাক পরিধান করে যে তার ভেতর দিয়ে শরীরের অংশ দেখা যায় এবং উটের কুঁজের মতন কেশ বিন্যাস করবে। এ নারী জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না, যা বহুদূর থেকে পাওয়া যায়।''
[সহীহ মুসলিম হাদিস নং: ২১২৭,মুসনাদে আহমাদ, হাদীস:৮৬৬৫]

রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে নির্জনে মিলিত হলে নিঃসন্দেহে তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান।(অর্থাৎ তখন শয়তান তাদের মনে কুমন্ত্রণা দেয়)।”
(জামে তিরমিযী,হাদীস : ১১৭১)
অথচ আজকাল মেয়েরা প্রেমের নামে কি সব নির্লজ্জতা করছে সবাই জানেন?

রাসুল(সঃ) বলেন, নারী হল গোপনীয় সত্ত্বা।যখন সে ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান তার দিকে দৃষ্টি উচু করে তাকাতে থাকে। (তিরমিযি১/২২২)

কিন্তু মেয়েরা রংঢং করে বেপর্দা হয়ে ঘুড়ে বেড়ায়, নিজেদের রুপ দেখিয়ে বেড়ায়, যখন কেউ তাদের নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করে তখন তারা খুশি হয়!! পার্লারে গিয়ে সাজুগুজু করে বের হলে যদি পরিচিত লোক জন তাকে অশ্লীল মন্তব্য না করে,যেমন তোমাকে খুব সেক্সি লাগছে! তোমাকে খুব হট লাগছে! ওহ ইউ আর লুকিং সো হট এন্ড সেক্সি! এমন বাজে মন্তব্য না করলেও ওরা রাগ করে!নাউজুবিল্লা!
একটা প্রশ্ন?
ধরুন আপনি যদি কারো টাকা আত্মসাৎ করেন সেটা পাপ বাট আপপনার লাভ হল!
কারো সাথে সেক্স করলেন লাভ হল যে মজা পেলেন!
কারো সম্পত্তি দখল করলে তাও লাভ হল!যদিও জাহান্নামের সাস্থি ভোগ করবেন কিন্তু এই যে রাস্তায়য় বেপর্দা হয়েয়ে নিজের সুঢৌল স্তন, সুউচ্চ হিপ ও সেক্সি নাভি, উরু মানুষকে দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ ছেলেদের মাথা নষ্ট করছ?
কখনো বা রেপ হচ্ছ আর সব ছেলেরা তোমাকে কল্পনা করে যখন গোপন পাপ করছে বা তোমাকে কামনা করছে এই সবব পাপ তোমার এবং তোমার বাবা ও স্বামীর নামেও লেখা হচ্ছে!

একবার ভাব তো তোমার কারনেরনে তুমি নিজে,বাবা,স্বামী ও সারাজীবন যে লক্ষ লক্ষ ছেলে তোমাকে দেখে বাজে কামনা করছে সব লোক জাহান্নামী!
আর ফেসবুকে যে বেপর্দা ফটো দিচ্ছ? সমগ্র বিশ্বে তা ভাইড়াল হচ্ছে, কত কোটি কোটি ছেলে দেখছে ও পাপ করছে? হিসেব করেছ? কি লাভ হচ্ছে তোমার?
শুধু শুধু জাহান্নামের পথ তৈরী করছ!
মেয়ে তুমি এত বোকা কেন?

ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [মহিলাদেরকে সম্বোধন করে] বললেন,
‘‘হে মহিলা সকল! তোমরা সাদকাহ-খয়রাত করতে থাক ও অধিকমাত্রায় ইস্তিগফার কর। কারণ আমি তোমাদেরকে জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসীরূপে দেখলাম।’’ একজন মহিলা নিবেদন করল, ‘আমাদের অধিকাংশ জাহান্নামী হওয়ার কারণ কি? হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, ‘‘তোমরা অভিশাপ বেশি কর এবং নিজ স্বামীর অকৃতজ্ঞতা কর। বুদ্ধি ও ধর্মে অপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও বিচক্ষণ ব্যক্তির উপর তোমাদের চাইতে আর কাউকে বেশি প্রভাব খাটাতে দেখিনি।’’ মহিলাটি আবার নিবেদন করল, ‘বুদ্ধি ও ধর্মের ক্ষেত্রে অপূর্ণতা কি?’ তিনি বললেন, ‘‘দু’জন নারীর সাক্ষ্য একজন পুরুষের সাক্ষ্য সমতুল্য। আর [প্রসবোত্তর খুন ও মাসিক আসার] দিনগুলিতে মহিলা নামায পড়া বন্ধ রাখে।’’ (মুসলিম) [1]

[1] সহীহুল বুখারী ৩০৪, ১৪৬২, মুসলিম ৭৯, ৮০, নাসায়ী ১৫৭৬, ১৫৭৯, আবূ দাউদ ৪৬৭৯, ইবনু মাজাহ ১২৮৮, ৪০০৩, আহমাদ ৫৩২১, ১০৯২২, ১০৯৮৮, ১১১১৫ হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

ইবনু ‘আববাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে জাহান্নাম দেখানো হয়। (আমি দেখি), তার অধিবাসীদের বেশির ভাগই নারীজাতি; (কারণ) তারা কুফরী করে। জিজ্ঞেস করা হল, ‘তারা কি আল্লাহর সঙ্গে কুফরী করে?’ তিনি বললেনঃ ‘তারা স্বামীর অবাধ্য হয় এবং অকৃতজ্ঞ হয়।’ তুমি যদি দীর্ঘদিন তাদের কারো প্রতি ইহসান করতে থাক, অতঃপর সে তোমার সামান্য অবহেলা দেখতে পেলেই বলে ফেলে, ‘আমি কক্ষণো তোমার নিকট হতে ভালো ব্যবহার পাইনি।’
(বুখারি-৪৩১,৭৪৮,১০৫২,৩২০২,৫১৯৭; মুসলিম ৮/১ হাঃ ৮৮৪, আহমাদ ৩০৬৪) ( প্রকাশনীঃ ২৮,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৮)

♪♪♪স্ত্রী ও মেয়ে পর্দা না করলে পিতা/স্বামীর নিশ্চিত জাহান্নামী :
রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ বেহেশ এর দরজায় লিখা আছে,
আদ দাইয়ুসু লা ইয়াদখুলুল জান্নাহ।
‘দাইয়ূস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না’।
(নাসাঈঃ ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাতঃ ৩৬৫৫; সহীহুল জামেঃ ৩০৫২)

সাহাবায়ে কেরাম অত্যন্ত ভিত হয়ে বললেন,ইয়া রাসুলউল্লাহ,
★দাইয়ুস কে?
দাইয়ুস হল সেই ব্যক্তি যার স্ত্রী কন্য পর্দা করেনা, অশ্লীলতা করে বেড়ায়।
রাসূল (সাঃ) বলেছেন:

★★★"তিন(৩) প্রকার লোকদের জন্য আল্লাহপাক জান্নাতকে হারাম করে দিয়েছেন। অনবরত মদ পানকারী, পিতা-মাতার অবাধ্য ব্যক্তি এবং "দাইয়ুস" এমন ব্যক্তি যে তার পরিবারের অশ্লীলতাকে মেনে নেয়"।
***আহমাদ, সাহীউল জামে: ৩০৪৭।

আবু হুরায়ররা (রাদিআল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "মহান আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি যে নারী ঈমান রাখে, তার মাহরামের সঙ্গ ছাড়া একাকিনী এক দিন এক রাতের দূরত্ব সফর করা বৈধ নয়।’’
.
[সহীহ বুখারীঃ হাদীস ১০৮৮, সহীহ মুসলিমঃ ১৩৩৯, জামে তিরমিযীঃ হাদীস ১০৭০, সুনানে আবু দাউদঃ হাদীস ১৭২৩, ইবনে মাজাহঃ হাদীস ২৮৯৯, মুসনাদে আহমদঃ হাদীস ৭১৮১, ৭৩৬৬, ৮২৮৪, ৮৩৫৯, ৯১৮৫, ৯৩৭৪, ৯৮৪৮, ১০০২৯, ১০১৯৭, মুওয়াত্তা মালিকঃ হাদীস ১৮৩৩]

দেখা যাচ্ছে মহিলারা তাদের নির্বুদ্ধিতা ও অপূর্নতা সত্তেও নিজেদের বেশি পন্ডিত ভাবে, স্বামীর সাথে দুর্ব্যবহার করে সামান্য কিছুর অভাব হলেই,বলে যে তোমার সংসারে এসে আমার জীবন শেষ,আমি বলেলেই তোমার সংসার করছি নয়তো তোমার মত বলদের সংসার কোন মেয়ে করত? যে বাবা ও স্বামী তাদের এত কষ্ট করে,মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করে,তাদের লালন পালন করে সে বাবা ও স্বামীর ই অবধ্যতা করে, বেহায়াপনা করে,বেপর্দা হয়ে চলে যে কারনে নিজেরা ও জাহান্নামী সাথে বাবা ও স্বামী কেও জাহান্নামে পাঠানোর ব্যবস্থা করে!! এজন্য কি পুরুষ রা এত কষ্ট করে তাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য?
বাবা এবং স্বামী কে কি তারা এতটাই ঘৃনা করে যে তারা অন্যের দেখাদেখি অশ্লীলতার প্রতিযোগিতা করে তাদের জাহান্নামে পাঠানোর প্রতিযোগিতা করে?

মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসলকরে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ? যেমন এক মহিলার আসরের সময় খুন বন্ধ হল। অতঃপর নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় থেকে রাত্রের গোসল করল না। পরদিন দুপুরে গোসল করে যোহরের নামায পড়ল। গোসল করার পূর্বে যে নামাযগুলো ছেড়ে দিল, সেগুলি কি মাফ?

- কোন মন্তব্য নেই

কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসলকরে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ? যেমন এক মহিলার আসরের সময় খুন বন্ধ হল। অতঃপর নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় থেকে রাত্রের গোসল করল না। পরদিন দুপুরে গোসল করে যোহরের নামায পড়ল। গোসল করার পূর্বে যে নামাযগুলো ছেড়ে দিল, সেগুলি কি মাফ?

অবশ্যই মাফ নয়। তাঁর উচিৎ, যথাসময়ে গোসল করে নামায শুরু করা। কোন বৈধ কারণে যদি গোসল করতে দেরিও হয়, খুন বন্ধ হওয়ার পর থেকে যে নামায ছুটে গেছে, সেগুলো ক্বাযা পড়তে হবে। নামায নিজের ইচ্ছামতো পড়ার জিনিস নয়। মিথ্যা ওজর দিয়ে এড়িয়ে গিয়ে সন্মান বাঁচানোর জিনিস নয়। মহান আল্লাহ্‌র কাছে হিসাব লাগবে। মানুষকে ঠকানো গেলেও, তাকে ঠকানো যাবে না। তিনি বলেছেন, “তাঁদের পর এল অপদার্থ পরবর্তীগন, তাঁরা নামায নষ্ট করল ও প্রবৃত্তিপরায়ণ হল; সুতরাং তাঁরা অচিরেই অমঙ্গল প্রত্যক্ষ করবে।”(মারয়্যামঃ ৫৯)
“সুতরাং পরিতাপ সেই নামায আদায়কারীদের জন্য; যারা তাঁদের নামাযে অমনোযোগী। যারা লোক প্রদর্শন (করে তা আদায়) করে।” (মাঊনঃ ৪-৬)

অপবিত্র অবস্থায় কি কুরআন পড়া জায়েয?

- কোন মন্তব্য নেই

অপবিত্র অবস্থায় কি কুরআন পড়া জায়েয?

অপবিত্রতা দুই শ্রেণীরঃ ছোট অপবিত্রতা, যাতে উযূ জরুরী হয় এবং বড় অপবিত্রতা, যাতে গোসল জরুরী হয়। ছোট অপবিত্র অবস্থায় থাকলে কুরআন স্পর্শ না করে মুখস্থ পড়া জায়েয। আর বড় অপবিত্র অবস্থায় কুরআন পড়া জায়েয নয়। অবশ্য এ অবস্থায় কুরআনী আয়াতের যিকর যেমন, “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, ইন্না লিল্লাহি অইন্না ইলাইহি রাজিঊন” ইত্যাদি পড়া যায়। ১১৫ (ইবনে ঊষাইমীন)
হযরত আলী (রঃ) বলেন, “বড় নাপাকির অবস্থা ছাড়া অন্যান্য অবস্থায় আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) আমাদেরকে কুরআন পড়াতেন।” ১১৬ (আহমাদ ৬২৭, তিরমিযী ১৩১ নং, আলবাণীর নিকট হাদীসটি যয়ীফ)   

রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৭

হজ্জ্বে মিকাতের মাসআলা

- কোন মন্তব্য নেই

প্রতিদিনের মাস'আলা মাসায়েল / প্রশ্নোত্তর

গ্রন্থঃ ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম  | রচনা/অনুবাদ/সংকলনঃ শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রহঃ)

(৪৬৭) কোন ব্যক্তি যদি নিজ দেশ থেকে জেদ্দা সফর করে অতঃপর ওমরা আদায় করার ইচ্ছা করে। সে কি জেদ্দা থেকেই ইহরাম বাঁধবে?

এ মাসআলাটির দু’টি অবস্থাঃ


প্রথমঃ লোকটি ওমরার নিয়ত না করে অন্য কোন উদ্দেশ্যে বা কাজে জেদ্দা সফর করেছে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর ওমরা করার ইচ্ছা হয়েছে, তবে সে জেদ্দা থেকেই ইহরাম বাঁধবে। এতে কোন অসুবিধা নেই। কেননা আবদুল্লাহ্‌ বিন আব্বাস (রাঃ)এর হাদীছে মীক্বাতের আলোচনায় বলা হয়েছে, “যে ব্যক্তি এই মীক্বাত সমূহের মধ্যে অবস্থান করে, সে যেখানে আছে সেখান থেকেই ইহরাম বাঁধবে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মক্কা থেকেই ইহরাম বাঁধবে।”


দ্বিতীয়ঃ দৃঢ়ভাবে ওমরার নিয়ত করেই জেদ্দা সফর করেছে। তাহলে যে মীক্বাতের নিকট দিয়ে গমণ করবে তাকে অবশ্যই সেখান থেকে ইহরাম বাঁধতে হবে। জেদ্দা থেকে ইহরাম বাঁধা জায়েয হবে না। কেননা জেদ্দার অবস্থান মীক্বাতের সীমানার মধ্যে। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে প্রমাণিত হয়েছে, তিনি মীক্বাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, هُنَّ لَهُنَّ وَلِمَنْ أَتَى عَلَيْهِنَّ مِنْ غَيْرِهِنَّ مِمَّنْ أَرَادَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ  “এগুলো স্থান সেখানকার অধিবাসীদের জন্য এবং যারা এর বাইরে থাকে সেখান দিয়ে যেতে চায় তাদের জন্য ইহরাম বাঁধার মীক্বাত- যারা হজ্জ ও ওমরা করার ইচ্ছা পোষণ করে।”


যদি জেদ্দা থেকে ইহরাম বাঁধে এবং মক্কা প্রবেশ করে, তবে বিদ্বানদের মতে তাকে ফিদ্‌ইয়া স্বরূপ মক্কায় একটি কুরবানী করতে হবে এবং তার গোস্ত মক্কার ফক্বীর-মিসকীনদের মাঝে বিতরণ করে দিবে। তাহলেই তার ওমরা বিশুদ্ধ হয়ে যাবে।


জেদ্দা যাওয়ার আগে যদি ওমরার নিয়ত করে থাকে এবং বিনা ইহরামে জেদ্দা প্রবেশ করে, তবে নিকটবর্তী কোন মীকাতে ফেরত গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম বাঁধবে। এতে কোন ফিদ্‌ইয়া লাগবে না।

বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০১৭

বিভিন্ন পদে চাকুরী খবর

- কোন মন্তব্য নেই
 বিভিন্ন পদে চাকুরী খবর পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন আমাদের সাইটে






বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০১৭

যানবাহন এবং সফরের দোয়া

- কোন মন্তব্য নেই
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল
যানবাহনের দোয়া

যে কোন যানবাহনে উঠার সময় প্রথমে ডান পা রেখে বিস্মিল্লাহ্ পুরা পাঠ করবে। তারপর তিনবার “আলহামদুলিল্লাহ্” তিনবার “আল্লাহুআকবার” বলে নিম্নোক্ত দোয়া পাঠ করবে।

“সুবহানাল্লাজী ছাখ্খারলানা হাজা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীন ওয়া ইন্না ইলা রব্বিনা লামুন ক্বলিবুন।

অত:পর তিনবার “সুবহানাল্লাহ” বলে

নিম্নলিখিত দোয়া পাঠ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে মুচুকি হাসি দিবে। “সুবহানাকা ইন্নি যালামতু নাফসি ফাগফিরলি ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ্জুনুবা ইল্লা আনতা।

সফর অবস্থায়ঃ আল্লাহুম্মা আনতাচ্ছাহিবু ফিচ্ছফরি ওয়াল খলিফাতু ফিল আহ্লি আল্লাহুম্মাছ হাবনা ফিচ্ছফরি ওয়াখ লুফনা ফি আহলি।


মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০১৭

মা-বাবার জন্যে দোয়া

- কোন মন্তব্য নেই
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল
মা-বাবার জন্যে

মাতা-পিতার জন্য সন্তানের দোয়াঃ রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বা ঈয়ানী সাগিরা। (সূরা বণী ইসরাইল, আয়াতঃ ২৩-২৫)

[অর্থঃ হে আল্লাহ্‌ আমার মাতা-পিতার প্রতি আপনি সেই ভাবে সদয় হউন, তাঁরা শৈশবে আমাকে যেমন স্নেহ-মমতা দিয়ে লালন-পালন করেছেন।]

খাবার খাওয়া শুরু ও শেষে দোয়া

- ৩টি মন্তব্য

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল
খাবার খাওয়া শুরু ও শেষে দোয়া

খাবার খাওয়ার আগে ঃ বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ।

খাবার শেষের দোয়া: আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আতআমানা ওয়া সাক্বানা ওয়া জায়ালানা মিনাল মুসলিমীন।

সোমবার, ১২ জুন, ২০১৭

মসজিদে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার দোয়া

- ৯টি মন্তব্য
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল
মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার দোয়া ঃ 

মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার দোয়া ঃ 

রাসুল (সা.) বলেছেন,,, যখন তোমাদের কেহ মসজিদে প্রবেশ করবে, তখন (প্রথমে ডান পা দিয়ে প্রবেশ করে) বলবেঃ

‘আল্লাহুম্মাফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকা’ অর্থাৎ- ‘হে আল্লাহ! আমার জন্য রহমতের দরজা খুলে দিন।’

আর যখন মসজিদ থেকে বের হবে তখন (বাম পা আগে দিয়ে) বলবেঃ

‘আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদলিকা”


রবিবার, ১১ জুন, ২০১৭

রোগ থেকে আরোগ্য

- কোন মন্তব্য নেই
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল

রোগ থেকে আরোগ্য
اَللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ مُذْهِبَ الْبَاسِ اِشْفِ اَ نْتَ الشَّافِىْ لاَ شَافِىْ اِلاَّ اَ نْتَ شِفَاءً لاَيُغَادِرُ سُقْمًا

আল্লাহুম্মা রাব্বান নাছি মুযহিবাল বাছি - ইশফি আনতা শাফি - লা শাফি ইল্লা আনতা শিফা'ন লা ইয়োগাদিরু সুকমা

আনাস (রাঃ) বলেছেন, রাসূল (সাঃ) অসুস্থ ব্যাক্তিদের উপর এই দোয়া পড়ে ফু দিতেন। অসুস্থ ব্যাক্তি দ্রুত আরোগ্য লাভ করতো। (বুখারী শরীফ খন্ড-২ পৃষ্ঠা-৮৫৫)
ব্যাথা উপশম
اَعُوْذُ بِعِزَّ ةِ اللهِ وَقُدْرَ تِهِ مِنْ شَرِّ مَااَجِدُ

আউযুবি ইজ্জাতিল্লাহি ওয়া কুদরাতিহি মিন শার'রি মা আজিদু

হযরত উসমান (রাঃ) একবার ব্যাথার যন্ত্রনায় কাতড়াচ্ছিলেন। রাসূল বললেন, আপনি ডান হাত দিয়ে ব্যাথার স্থান বুলানোর সময় এই দোয়া সাতবার পড়ুন। ব্যাথা ধীরে ধীরে কমে যাবে। (সুনান আবু দাউদ,খন্ড-২ পৃষ্ঠা-৫৪৩)
জান্নাত লাভ
য়াল্লাহু আ’লা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদির। আল্লাহুম্মা ইয়া ইন্নামাল বাসারী ওয়া ইয়া আজিমাল খাতারী। ওয়া ইয়া ওয়াসিয়াল মাগফিরাতী। ওয়া ইয়া আজিজাল মান্নি ওয়া ইয়া মালিকি ইয়াওমুদ্দিন বিহাক্বী ইয়্যা কানা’বুদু ওয়া ইয়্যা কানাছতাঈন। বিরাহমাতিকা ইয়া রাহমানুর রাহিম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। ইলাহাল আলামীন ওয়া ইয়া খাইরান নাছিরিন। ওয়া ইয়া গিয়াসাল মুস্তাগিছিনা বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

শনিবার, ১০ জুন, ২০১৭

ঋণ মুক্তির দোয়া

- কোন মন্তব্য নেই
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল

ঋণ মুক্তির দোয়া

اَللَّهُمَّ اكْفِنِىْ بِحَلاَ لِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَاَغْنِنِىْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

আল্লাহুম্মা আকফিনি বি হালালিকা আ'ন হারামিকা আগনিনি বি ফাদলিকা আম্মান সিওয়াকা

হযরত আলী (রাঃ) বলেছেন, যে ব্যাক্তি এই দোয়া পড়বে সে যদি পাহাড়ের সমানও দেনাগ্রস্থ হয়ে থাকে তবুও তার জন্য দেনা পরিশোধ সহজ করে দেয়া হবে। (তিরমিজী শরীফ, খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৯৫)

বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০১৭

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

- কোন মন্তব্য নেই
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল-০১

ঘুম থেকে উঠার পরে দোয়াঃ 


اَلْحَمْدُ للهِ الَّذِىْ اَحْىَ نَفْسِىْ بَعْدَ مَااَمَاتَهَا وَ اِلَيْهِ النُّشُوْرُ

আলহামদুলিল্লাহিল লাজি আহইয়া নাফছি বা'দা মা আমাতাহা ওয়া ইলাইহিন নুশুর।
দুনিয়ায় মানুষ কমবেশি বিপদ, মসিবত ও পেরেশানিতে পড়ে। এসব থেকে মুক্তি লাভের উপায় হিসেবে নবী করিম (সা.) উম্মতকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোয়া শিখিয়েছেন। তা থেকে কিছু উল্লেখ করা হলো।

হজরত সাদ ইবনে আবী ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন, ‘লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজজোয়ালিমিন।’ (একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয় আমি সীমা লঙ্ঘনকারী)। -জামে তিরমিজি, হাদিস : ৩৫০০


মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০১৭

ঘরে প্রবেশ এবং ঘর থেকে বাহির হওয়ার দোয়া

- কোন মন্তব্য নেই

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল

ঘরে প্রবেশ ও ঘর হইতে বাইরে যাওয়ার সময় পড়ার দোয়া সমূহ)
দৈনিন্দন জীবনে রাসূল স: এর একটা আমল ছিল ঘরে প্রবেশ ও ঘর হইতে বাইরে যাওয়ার সময় দোয়া। এই ছোট্ট সুন্নাতের আমল আমাদের মাঝে নাই। এটা শুধু সুন্নাত নয়, বরং ফযিলাতেরও। এতে আমাদের নিরাপত্তা ও বরকত। জাবের ইবেনে আব্দুল্লাহ রা. হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (স:) কে বলিতে শুনেয়াছি যে,

"إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ بَيْتَهُ فَذَكَرَ اللَّهَ عِنْدَ دُخُولِهِ وَعِنْدَ طَعَامِهِ قَالَ الشَّيْطَانُ لاَ مَبِيتَ لَكُمْ وَلاَ عَشَاءَ وَإِذَا دَخَلَ فَلَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ عِنْدَ دُخُولِهِ قَالَ الشَّيْطَانُ أَدْرَكْتُمُ الْمَبِيتَ فَإِذَا لَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ عِنْدَ طَعَامِهِ قَالَ أَدْرَكْتُمُ الْمَبِيتَ وَالْعَشَاءَ." (رواه مسلم)

“যখন মানুষ নিজের ঘরে প্রবেশ করে এবং প্রবেশের সময়ও খাওয়ার সময় আল্লাহ তায়ালার যিকর করে তখন শয়তান (তাহার সঙ্গীদেরকে) বলে, এখানে আমাদের জন্য না রাত্রিযাপনের জায়গা আছে, না রাত্রের খাবার আছে। আরযখন মানুষ ঘরে প্রবেশ করে এবং প্রবেশের সময় আল্লাহতায়ালার যিকর করে না, তখন শয়তান (তাহার সঙ্গীদেরকে) বলে, এখানে তোমারা রাত্রিযাপনের জায়গা আছে পেয়ে গিয়েছো। আর যখন খাওয়ার সময়ও আল্লাহতায়ালার যিকর করে না, তখন শয়তান (তাহার সঙ্গীদেরকে) বলে, এখানে তোমরা রাত্রিযাপনের জায়গা ও রাত্রের খাবারও পেয়ে গিয়েছে।” (সহীহ মুসলিম)
অন্য বর্ণনায় আছে, যখন দোয়া পড়ে ঘর থেকে বের হয়, তখনতাহাকে বলা হয় (অর্থাৎ ফেরেশতারা বলে) তোমার কাজ সম্পাদন করিয়া দেওয়া হইয়াছে এবং তোমাকে সমস্ত অকল্যাণ হইতে হেফাজত করা হইয়াছে। শয়তান (ব্যর্থ হইয়া) তাহার নিকট হইতে দূর হইয়া যায়। অন্য আরেক বর্ণনায় আছে, শয়তান তাহার নিকট হইতে দূর হইয়া যায়, অপর এক শয়তান প্রথম শয়তানকে বলে, তুমি ঐ ব্যক্তিকে কিভাবে আয়ত্ত্বে নিতে পার, যাহাকে পথ দেখাইয়া দেওয়া হইয়াছে, যাহার কাজ সম্পাদন করিয়া দেওয়া হইয়াছে এবং তাহার হেফাজত করা হইয়াছে। (হাদিস সহীহ/আবুদাউদ ও তিরমিযী, বর্ণনায় আনাস রা.)

ঘরে প্রবেশের দোয়া:

1. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ الْمَوْلَجِ وَخَيْرَ الْمَخْرَجِ, بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا بِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا وَعَلَى اللَّهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا.

(حديث ضعيف/ رواه ابو داود عن ابي مالك الاشعري رضيالله عنه)

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা খায়রাল মাওলাজি ওয়াখায়রাল মাখরাজি, বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনাবিসমিল্লাহি খারাজনা ওয়া আলাল্লাহি রাব্বানা তাওয়াক্কালনা।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট ঘরে প্রবেশ করা ও ঘর হইতে বাহির হওয়ার কল্যাণ প্রার্থনা করিতেছি। আমরা আল্লাহ তায়ালারই নামে ঘরে প্রবেশ করি এবং আল্লাহ তায়ালারই নামে ঘর হইতে বাহির হই, এবং আমাদের রব আল্লাহর উপরই আমরা ভরসা করি।

2. السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عَبَّادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ / السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ.

(حديث صحيح/ رواه الترمذي عن انس بن مالك رضي الله عنه)

উচ্চারণ: আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহীন, আসসলামু আলাইকুম ওয়ারাহ মাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।

অর্থ: আমাদের উপর এবং নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিক হোক। তোমাদের উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত অবতীর্ণ হোক।
ঘর হইতে বাহিরে যাওয়ার সময় পড়ার দোয়া:

1. بِسمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ، لاَ حَولَ وَلاَ قُوَّةَ إلاَّ باللهِ.
يقال له كقيت ووقيت وتنحي عنه الشيطان. وفي رواية فتتنحي له الشياطين, فيقول شيطان آخر كيف لك برجل قد هدي وكفي ووقي. (حديث صحيح/ رواه ابو داود والترمذي عن انس بن مالك رضي الله عنه)
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি তাওয়াক্বালতু আলাল্লাহ, লা হাও লা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহ।
অর্থ: আমি আল্লাহর নামে বাহির হইতেছি, আল্লাহর উপরই আমার ভরসা, কোন কল্যাণ হাসিল করা এবং কোন অকল্যাণ হইতে বাঁচার ব্যাপারে সফলকাম হওয়া একমাত্র আল্লাহর হুকুমে সম্ভব হইতে পারে।
2. اللَّهُمَّ إِنِّي أعُوذُ بِكَ أنْ أضِلَّ أَوْأُضَلَّ، أَوْ أَزِلَّ أَوْ أُزَلَّ، أَوْ أظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ، أَوْ أجْهَلَ أَوْيُجْهَلَ عَلَيَّ.

(حديث صحيح/ رواه ابو داود و الترمذي عن ام سلمة رضي الله عنها)

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা আন আদিল্লা আও উদাল, আও আযিল্লা আও উযাল, আও আযলিমা আও উযলাম, আও আজহালা আও উযহালা আলাইয়া।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট এই ব্যাপারে পানাহচাইতেছি যে, আমি পথভ্রষ্ট হইয়া যাই অথবা আমাকে পথভ্রষ্ট করা হয়; অথবা সরল পথ হইতে পদাঙ্খলিত হই আথবা আমাকে পদাঙ্খলিত করা হয়; অথবা আমি জুলুম করি অথবা আমার উপর জুলুম করা হয়; অথবা আমি অজ্ঞাতাবশতঃ খারাপ আচরণ করি অথবা আমার সহিত অজ্ঞাতাবশতঃ খারাপ আচরণ করা হয়।
3. آيَةَ الْكُرْ سِيْ.

(حديت ضعيف/ تخريج التاج الجامع)

আয়াতুল কুরসী পাঠ করা।
4. أَسْتَوْدِعُكُمُ اللهَ الَّذِى لاَ تَضِيْعُ وَدَائِعُهُ.

(حديث صحيح/ رواه احمد و ابن ماجة عن ابي هريرة رضي الله عنه)

উচ্চারণ: আসতাওদিয়ুকুমুল্লা হাল্লাযি লা তাদিয়ু ওয়াদিয়ু।

অর্থ: আমি তোমাদিগকে সেই আল্লাহর হাতে সোর্পদ করিতেছি, যার নিকট সোর্পদকৃত আমানত কখনো বিনষ্ট হয়না।
প্রাকৃতিক দূর্যোগ
بِسْمِ اللهِ الَّذِىْ لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْئٌ فِى اْلاَرْضِ وَ لاَ فِى السَّمَآءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ

বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর'রু মা'আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি'ই ওয়াহুয়া সামি'য়ুল আলিম

রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দূর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে। (তিরমিজী শরীফ, খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৭৩


সোমবার, ৫ জুন, ২০১৭

টয়লেটে প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার দোয়া

- ১৭টি মন্তব্য
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল
টয়লেটে প্রবেশ এবং টয়লেট থেকে বাহির হওয়ার দোয়া



اَللَّهُمَّ اِ نِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল খুবথি ওয়াল খাবায়ি'

এই দোয়া পড়ে রাসূল টয়লেটে ঢুকতেন। টয়লেটে ঢুকার আগে এই দোয়া পড়তে বলেছেন। (বুখারী শরীফ, খন্ড-২, পৃষ্ঠা-৯৩৬)

পায়খানা থেকে বের হওয়ার দোয়া :

বাংলা উচ্চারণ : গুফরা-নাকা আলহামদু লিল্লাহিল লাযি আজহাবা আন্নিল আজা ওয়া আফানি



রবিবার, ৪ জুন, ২০১৭

বাজারে গিয়ে যে দোয়া পড়তে হয়

- ২টি মন্তব্য
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল
বাজার করার সময়

লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ইউহ্ই ওয়া ইউমিতু ওয়া হুয়া হাইয়্যুল্লা ইয়ামুতু বিইয়াদিহিল খাইর ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদির।

জান্নাত লাভের আমল

- কোন মন্তব্য নেই


দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিভিন্ন প্রকার আমল-০৩


যদি আমরা এজাতীয় ছোট ছোট দোয়া বেশি বেশি পাঠ করি এবং নিজেদের অভ্যাসে পরিণত করি তাহলে আশা করা যায় মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের সব বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবেন।
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বী লা ইলাহা ইল্লা আনতা খালাকতানী, ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা মাসতাতা’তু, আউজুবিকা মিন শাররি মা সানা’তু, আবুউ লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়া, ওয়া আবুয়ু লাকা বিজানবী, ফাগফিরলী, ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ-জুনুবা ইল্লা আনতা।’

অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক, তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নাই। তুমি আমার স্রষ্টা আর আমি তোমার গোলাম। যথাসম্ভব তোমার সাথে কৃত অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অটল থাকব। আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। আমার ওপর তোমার নেয়ামতসমূহের কথা স্বীকার করি। আমি আমার নাফরমানির কথাও স্বীকার করি। তাই আমার গুনাহ ক্ষমা করে দাও। কেননা তুমি ছাড়া আর কোনো মাবুদ নাই।

ফজিলত : যে ব্যক্তি এই ইসতিগফার সকালে পড়বে, অতপর সন্ধ্যার আগে তার মৃত্যু হলে, সে জান্নাতি হবে। অনুরুপভাবে কেউ সন্ধ্যায় পাঠ করে সকালের আগে তার মৃত্যু হলে, সে জান্নাতি হবে।
পায়খানায় ঢুকার দোয়াঃ

শনিবার, ৩ জুন, ২০১৭

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

- কোন মন্তব্য নেই
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
বিপদ মুক্তির দোয়া



বাংলা উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জওয়ালিমীন

উপরোক্ত দোয়াটি পবিত্র কোরআনে কারিমে উল্লেখিত একটি দোয়া। এই দোয়াটি ‘দোয়া ইউনুস’ নামে প্রসিদ্ধ ও বহুল পঠিত। বিজ্ঞ আলেমরা বলে থাকেন, এই দোয়া যে যত বেশি পড়বে আল্লাহতায়ালা মানুষকে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবেন, কেউ বিপদে পতিত থাকলে আল্লাহতায়ালা তাকে বিপদ থেকে সহজ করে দেবেন। হজরত ইউনুস (আ.) ও হজরত আইয়ুব (আ.)সহ প্রত্যেক নবী-রাসূলরা এই দোয়া বেশি বেশি পাঠ করেছেন।

এই দোয়া ছাড়াও আরও বেশ কিছু দোয়া রয়েছে, যেগুলোর পাঠে মানুষ অনেক ফজিলতের অধিকারী হয়, সৌভাগ্যের অধিকারী হয়। তেমনি আরেকটি দোয়া হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে, হজরত আসমা বিনতে ওমাইর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, আমি কি তোমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে। সেটি হচ্ছে, ‘আল্লাহু আল্লাহ রাব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’ (আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না)। -সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ১৫২৫

হাদিসে আর বর্ণিত হয়েছে, হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা।’ (ইয়া আল্লাহ! কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও)। -সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৯৭৪

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

- কোন মন্তব্য নেই
দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
দোয়া ইবাদতের মগজ সরূপ

মহান রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর ইবাদতের মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জ
নের জন্য। আর যুগে যুগে, গোত্রে, গোত্রে, সময়ে, সময়ে বিভিন্ন নবী রাসূল প্রেরণ করে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জণের বিভিন্ন পন্থ শিক্ষা দিয়েছেন। তাদের শিখানো পন্থা অনুযায়ী আমরা বিভিন্ন কাজ করে থাকি। তার মধ্যে মুসলমান হিসেবে আমরা কমেবেশি সবাই দোয়া করি। এটা অনেকটা স্বভাবজাত বিষয়। তবে দোয়া করার সময় বেশ কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গভীরভাবে খেয়াল রাখা দরকার। আলেমরা এগুলোকে দোয়া কবুলের শর্ত ও আদব বলে অভিহিত করেছেন।

পবিত্রতা অর্জন: 





































পবিত্রতা অর্জনের পর দোয়া করলে আল্লাহতায়ালা সেই দোয়া কবুল করবেন।

বিনয়ের সঙ্গে দোয়া করা:

বিনয়ের সঙ্গে দু’হাত তুলে দোয়া করা। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহতায়ালার নিকট হাত তুলে হাতের তালু সামনে রেখে দোয়া কর। হাত উল্টো করো না। দোয়ার শেষে উত্তোলিত হাত মুখমন্ডলে বুলিয়ে নাও।’ -আবু দাউদ

মিনতিভরা কন্ঠে দোয়া করা:
মিনতি ও নম্রতার সঙ্গে দোয়া করলে তা ইবাদত হিসেবে গন্য হয়। রাসূলে মকবুল (সা.) বলেছেন, ‘দোয়া সব ইবাদতের মজ্জা ও সারাংশ।’ দাসত্বের পরিচয় প্রদানই ইবাদতের উদ্দেশ্য। বান্দার নিজের দীনতা ও অক্ষমতা বুঝতে পারা এবং আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও অপার মহিমা উপলব্দি করার মধ্যেই দাসত্বের প্রকাশ ঘটে। দোয়ার মাধ্যমে এ দু’টি বিষয়ের পরিচয় পাওয়া যায়। অর্থাৎ নিজের অক্ষমতা ও অসহায়ত্ব এবং আল্লাহর অপ্রতিহত ক্ষমতা, অপার মহিমা ও প্রতাপ অন্তরে স্থান পাওয়া আবশ্যক। দীনতা ও নম্রতা দোয়ার মধ্যে যত অধিক হবে ততই মঙ্গল।

দু’হাত তুলে দোয়া করা: বিনয়, নম্রতা ও দাসত্ব প্রকাশ করার জন্য দোয়ার সময় দু’হাতের তালু আসমানের দিকে রাখতে হবে এবং হাত সম্পূর্ণ সম্প্রসারিত করে দু’হাতের মধ্যে ২/১ আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁক রাখতে হবে। হাত কচলানো, রশি পাকানোর মতো হাতের তালু ঘষাঘষি করা দোয়ার আদবের খেলাপ। মনে রাখবেন, আপনি
 শাহানশাহেরর দরবারে হাত তুলেছেন, তাই এখানে কোনো ধরনের অমনোযোগিতা কাম্য নয়। এছাড়া দোয়া শেষে দু’হাত তুলে দোয়া করে দোয়া শেষে হাত দু’টি মুখমন্ডলে মুছে নিবে। হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, ‘যে হাত আল্লাহর দরবারে উত্তোলিত হয়, তা একেবারে শূণ্য অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে তিনি লজ্জাবোধ করেন।’




আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ শরীফসহ দোয়া করা :
আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ শরীফসহ দোয়া করা। আল্লাহর প্রশংসা যেমন, ‘আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামিন’ দোয়ার শুরুতে বলা। এছাড়া ইসমে আজমের সহিত দোয়া করা উত্তম। হজরত আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ইসমে আজম এই আয়াতদ্বয়ে রয়েছে-
১. ‘ওয়া ইলাহুকুম ইলাহু ওয়াহিদুন লা ইলাহা ইল্লা হুয়ার রাহমানুর রাহিম।’ -সূরা বাক্বারা : ১৬৩
২. ‘আলীফ লাম মীম। আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।’ -সূরা আল ইমরান : ১

হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলে কারিম (সা.)-এর নিকট বসেছিলাম। একজন লোক সেখানে নামাজ পড়ছিল। সে তার দোয়ার মধ্যে আরজ করল, হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আমার প্রয়োজন প্রার্থনা করছি এই ওসিলায় যে, প্রশংসা ও গুনকীর্তণ আপনার জন্যই উপযুক্ত। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি পরম দয়ালু ও অসীম অনুগ্রহদাতা এবং পৃথিবী ও আকাশ মন্ডলীর স্রষ্টা। আমি আপনার কাছেই আপনার অনুগ্রহ চাই। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যু! ইয়া জালজালালী ওয়াল ইকরাম! রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, এ বান্দা আল্লাহর ইসমে আজমের ওসিলায় দোয়া করেছে। এ ওসিলায় আল্লাহর কাছে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয় এবং আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চাইলে, আল্লাহ তা দান করেন। -তিরমিজি

হজরত ফুজালা ইবনে উবায়দা (রা.) বর্ননা করেন, রাসূলে কারিম (সা.) এক ব্যক্তিকে দোয়া করতে শুনলেন। সে দোয়ায় আল্লাহপাকের প্রশংসা করল না এবং রাসূল (সা.)-এর ওপর দরুদও পাঠ করল না। এতে রাসূলে আকরাম (সা.) বললেন, লোকটি তড়িঘড়ি করে দোয়া করেছে। তিনি লোকটিকে ডেকে আনলেন এবং তাকে অথবা উপস্থিত লোকদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘যখন তোমাদের কেউ নামাজ পড়ে তখন দোয়া করার পূর্বে তার উচিত আল্লাহতায়ালার প্রশংসা করে নেয়া ও রাসূলের প্রতি দরুদ পাঠ করা। এরপর যা ইচ্ছা তা চাওয়া। -তিরমিজি ও আবু দাউদ

এক হাদিসে এসেছে হজরত রাসূলে মাকবুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দোয়া করার পূর্বে দরুদ শরীফ পড়ে, তার দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। মহান আল্লাহতায়ালা অসীম দয়ালু; দোয়ার কিয়দাংশ কবুল করে অপর অংশ কবুল না করা তার স্বভাব নয়। এই হাদিসের সারমর্ম এই যে, দরুদ তিনি অবশ্যই কবুল করে থাকেন, সুতরাং তিনি দরুদ কবুল করে দোয়ার অবশিষ্টাংশ অর্থাৎ প্রার্থনীয় বিষয় অগ্রাহ্য করেন না। শেষ পর্যন্ত উভয় অংশই কবুল করেন।

হজরত আবু সোলায়মান দারানী (রহ.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করে, তার উচিত, প্রথমে দরুদ পড়া এবং দরুদ পড়ে দোয়া শেষ করা। কেননা আল্লাহ উভয় দরুদ কবুল করেন। -কিমিয়ায়ে সাআদাত
ঘুমাতে যাওয়ার আগে দোয়াঃ

اَسْتَغْفِرُالله الَّذِىْ لآَ اِلَهَ اِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ وَاَ تُوْبُ اِلَيْه

আসতাগফিরুল লাহাল লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাই'য়ুল কাই'ইয়ু'মু ওয়া আতুবু ইলাহ।

রাসূলে পাক বলেছেন, যে ব্যাক্তি ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দোয়া তিনবার পড়ে ঘুমাবে সে ঘুম থেকে নিষ্পাপ হয়ে উঠবে। (তিরমিজী শরীফ, খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৭৫)

শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০১৭

Mitun alo Muhammod alo/ Nitto/Ever/ Dense/Farhan Ali kadery

- কোন মন্তব্য নেই